মোঃ আবদুল্লাহ বুড়িচং প্রতিনিধি।।
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে হিমেল হাওয়া ও কুয়াশার সঙ্গে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। শীতের দাপটে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর ও খেটেখাওয়া নিম্নআয়ের মানুষ ও প্রাণিকুল। পাশাপাশি শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।
গত ২ দিনে সূর্যের মুখ দেখা না মেলায় শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না। এতে রাস্তাঘাট, বাজার ও দোকানে লোকজনের উপস্থিতি কমে গেছে। শীত থেকে রক্ষা পেতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্য খড়কুটো জ্বালিয়ে মানুষকে আগুন পোহাতে দেখা গেছে।
গত ২ দিনের শীতের প্রকোপে অনেকে কাজে যেতে না পারায় তাদের দৈনন্দিন আয়ের ওপর চরম প্রভাব পড়ছে। ভ্যানচালক কাউছার ও মনির বলেন, এই শীতে ভ্যানচালানো খুব কষ্টের হয়ে গেছে। ঠান্ডায় হাত-পা অবশ হয়ে আসছে। যাত্রীও কম, শীতের কারণে আয় কমে গেছে। এখন সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। মুদি দোকানদার দুলাল বলেন, গত কয়েক দিন ধরে প্রচণ্ড ঠাণ্ডার কারণে দোকানে ক্রেতা একেবারেই কম। মানুষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না। ফলে দোকানে বেচাবিক্রি অর্ধেকে নেমে এসেছে। শীত যত বাড়ছে ততই আমাদের বেচাবিক্রি কমে যাচ্ছে।
এদিকে তীব্র এ শীতে বয়স্ক ও শিশুরা সর্দি-কাশি এবং হাঁপানিজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে বলে চিকিৎসকরা সচেতন থাকার পরমর্শ দিয়েছেন। শিশু ও বয়স্কদের অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বাহিরে না যেতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
